সত্যিকারের ক্ষমতা সম্পন্ন ১০ জন সুপারহিরো

Posted by Prohor Admin on

Prohor.com.bd

 

পৃথিবী সত্যিই এক গোলকধাঁধা। এখানে কতকিছু দেখার রয়েছে কতকিছু জানার রয়েছে। এই দুনিয়ায় কত অভিনব বিষয় জানার বাকি আছে কত মানুষের ক্ষমতা দেখার বাকি রয়েছে। এমন কিছু মানুষের কথা বলব যাদের অবিশ্বাস্য ক্ষমতা এবং জীবনের গল্প ইন্টারনেটে ঝড় তুলেছে। তাদের যে ক্ষমতাগুলি রয়েছে তা সাধারণ মানুষ স্বপ্নে কল্পনাও করতে পারবেন না।

চলুন দেখে নেওয়া যাক অভিনব মানুষদের অবিশ্বাস্য ক্ষমতা কী কী

ড্যানিয়েল ট্যামেটঃ 

ড্যানিয়েল ট্যামেট গণিতে জিনিয়াস ছিলেন পাশাপাশি নানান দেশের ভাষা জেনে রাখার ক্ষমতা ছিল। তিনি ১১ টিরও বেশি ভাষায় একই স্বচ্ছন্দে কথা বলতে পারেন। যে কোনও কঠিন হিসাব সে দ্রুত গতিতে করে দিতে পারেন মুখে মুখেই।

 

ড্যানিয়েল ব্রাউসিং স্মিথঃ

ড্যানিয়েল স্মিথকে রাবার বয় বলা হয়। তার মতে এতো নমনীয় ব্যক্তি পৃথিবী আর কেউ নেই। ড্যানিয়েল স্মিথ বিশ্বের জনপ্রিয় কন্টরশনিস্ট।

 

হু কিয়ংঃ

হু কিয়ং এর শরীর মাংস, চামড়া দিয়ে নয়, মনে হয় লোহা দিয়ে তৈরি। তার এই দুর্ভেদ্য ত্বকও তার জন্য সবচেয়ে বড় ক্ষমতা। সর্বশক্তি নিয়ে ড্রিলিং মেশিন যদি তার মাথা, গলা, পেটে চালিয়ে শরীরে বিঁধনোর চেষ্টা করা হয় তাহলেও তা যাবে না। এমনিক হাইভোল্টেজ ইলেকট্রিকের তার খালি হাতে ধরলেও তার কিছু হয় না।

 

ডিন কারনাজেজঃ

ডিন কারনাজেজ দৌড়ে অনেক এক্সপার্ট। ডিন কারনাজেজ একটানা ৩৫০ মাইল দৌড়েছেন। একবারের জন্যও তিনি থামেননি।

 

কিম পিকঃ 

কিম পিকের স্মৃতিশক্তি এতই প্রখর যে বিশ্বাস করবেন না। একই সময়ে দুটি ভিন্ন পাতা পড়ার ক্ষমতা ছিল কিমের। ১২,০০০ বই পড়ে মনে রাখার ক্ষমতা ছিল তাঁর, মাত্র ১০ মিনিটে কোরআন মুখস্ত করতে পারতেন তিনি। মাত্র ৫৮ বছর বয়সে মৃত্যুবরন করেন কিম।

 

নাতাশা ডেমকিনাঃ

নাতাশা ডেমকিনা এক্সরে ওম্যান। শুধু নিজের চোখ দিয়ে মানুষের শরীরের ভিতরের গতিপ্রকৃতি বলে দিতে পারেন। শরীরের কোথায় টিউমার আছে, ক্যানসার আছে কি না তা সহজেই বলে দিতে পারতেন নাতাশা।

 

মাইকেল লটিটোঃ
মাইকেল লটিটো নিরামিষাশী ও মাংসভোজীদের পাশাপাশি নতুন ভাবে ধাতু খাদকের উদ্ভাবন করেছেন। তিনি কাঁচ, ধাতু ইত্যাদি খুব সহজে খেয়ে ফেলতে পারে। এমনকি বিষাক্ত পদার্থ খুব সহজে হজম করে ফেলে।

 

লিউ থোউ লিনঃ
লিউ থোউ লিনকে গ্রামের মানুষেরা ডাকে- চুম্বক মানব। সে যেকোন ধাতুকে তার শরীর দ্বারা আকর্ষণ করতে পারে। অবশ্য চুম্বকক্ষেত্র নিয়ন্ত্রণ করতে তাকে অনেক বেশি অনুশীলন করতে হয়।

 

রাজ মোহন নাইয়ারঃ
নাইয়ারের শরীর বিদ্যুতের ১.৩ মিলিওন ওম পরিমাণ বাধা দেয়। তাই বিদ্যুৎ তার কোন ক্ষতি করতে পারে না। শরীরের এক অংশ দিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহ করে অন্য অংশে বিদ্যুৎ বাতি জ্বালাতে পারেন নাইয়ার।

 

বেন আন্ডারউডঃ
বেন আন্ডারউড ৩ বছর বয়স থেকে অন্ধ হলেও সে শোনার মাধ্যমে দেখতে পায়। অর্থাৎ কোন কিছুর শব্দ শুনে অসাধারণ ভাবে এর অবস্থান,গতি প্রভৃতি সম্পর্কে নিখুঁত ধারণা করতে পারে সে। যার কারণে সে বাস্কেটবল, রোলারব্লেড, ভিডিও গেম এবং স্কেটবোর্ড খেলতে পারে।

 

(Collected)

Share this post



← Older Post Newer Post →


Leave a comment

Please note, comments must be approved before they are published.